জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে জেলার তিনটি উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে এই বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। আক্রান্তদের পরিসংখ্যান নিচে দেওয়া হলো:
মকরমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সবচেয়ে বেশি ১৫০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। চাতরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৫ জন শিক্ষার্থী আক্রান্ত হয়।
শংকরবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়।আক্রান্ত শিক্ষার্থীরা মূলত তীব্র পেটব্যথা, বমি ভাব এবং শারীরিক চরম দুর্বলতার অভিযোগ করেছে। তবে বর্তমানে সব শিক্ষার্থী আশঙ্কামুক্ত ও সুস্থ রয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং শিক্ষা কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শন করেছেন।
এই প্রকল্পের আওতায় খাবার সরবরাহের দায়িত্বে ছিল ‘গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)’ নামক একটি বেসরকারি সংস্থা। অনুসন্ধানে সংস্থাটির কার্যক্রমে ভয়াবহ অব্যবস্থাপনার চিত্র উঠে এসেছে:
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল, ২০২৬) চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার হরিপুর এলাকায় গাক-এর কার্যালয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, একটি আবাসিক ভবনের নিচতলা গোডাউন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেখানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা নেই।
গাক কর্তৃপক্ষ কোনো সংবাদকর্মীকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়নি এবং তথ্য প্রদানে নানা অজুহাত দেখিয়ে অসহযোগিতা করেছে। এমনকি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো যোগাযোগ নম্বর দিতেও তারা অস্বীকৃতি জানায়।







