ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ফ্লোরিডায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল নিবিড়ভাবে কাজ করছে। তারা নিহতদের পরিবার, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পাশাপাশি দেহাবশেষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বর্তমানে সরকারের বিশেষ তদারকিতে রয়েছে।
বিদেশে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
দূতাবাসগুলো যাতে কেবল দাপ্তরিক ভবন না হয়ে প্রবাসীদের জন্য ‘আস্থার ঠিকানা’ হিসেবে গড়ে ওঠে, সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকবলিত এলাকায় থাকা বাংলাদেশিদের উদ্ধার, নিরাপদ আশ্রয় ও প্রত্যাবাসনের জন্য কনস্যুলার সহায়তা জোরদার করা হয়েছে।
বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বাংলাদেশিদের ওপর সহিংসতা বা নিরাপত্তাহীনতার ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য দূতাবাসগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় পর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বলে মন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করেন।







