৫ আগস্টের পর তাঁর ও তাঁর পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন করে তোলা হয়েছিল। ফেসবুক ও পত্রিকার মাধ্যমে তাঁদের সামাজিকভাবে হেয় করা হয়।দলের ভেতরে বারবার অভিযোগ করেও তিনি এসব ঘটনার কোনো বিচার পাননি বলে দাবি করেন।
সাক্ষাৎকারে ইসহাক সরকার একজনের নাম উল্লেখ না করে বলেন, বর্তমানে সরকারের মন্ত্রী পদমর্যাদায় থাকা এক শীর্ষ নেতার কাছে তিনি অভিযোগ নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই দিনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন:
“তিনি অনেক জঘন্যতম আচরণ করে আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। তিনি আমার কথা শুনতেই চাননি। আমি তখন রাগ করে বলেছিলাম, আমি এই দলের একজন কর্মী, আমার কথা কেন শুনবেন না?”
তিনি আরও বলেন, “আমি বলেছিলাম, যদি আমি অপরাধী হই তবে শাস্তি দিন, আর নিরপরাধ হলে বিচার করুন। কিন্তু তিনি তীর্যক ভাষায় কথা বলে আমাকে তাড়িয়ে দিলেন। সেই দুঃখ কষ্ট আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না।”
আন্দোলন-সংগ্রামে যে নেতার ডাকে তিনি রাজপথে থাকতেন, ক্ষমতার পরিবর্তনের পর তাঁর এমন ভোলবদলে মর্মাহত হয়েছেন এই বহিষ্কৃত নেতা। তিনি জানান:
বিগত সরকারের আমলে ওই নেতার উৎসাহেই তিনি আন্দোলন-সংগ্রাম করেছিলেন। কিন্তু বিপদের দিনে সেই নেতার এমন আচরণ তিনি কল্পনাও করতে পারেননি।
৫ আগস্টের পর তাঁর ওপর দুইবার হামলা চালানো হলেও দল থেকে কোনো প্রতিকার পাননি বলে তিনি উল্লেখ করেন।








