সংবাদ সম্মেলনে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম শিল্পের বর্তমান সংকটের চিত্র তুলে ধরে বলেন:
রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে ইউরোপীয় বাজারে ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। ফলে নতুন ক্রয়াদেশ বা অর্ডারের প্রবাহ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে।
তীব্র লোডশেডিং এবং গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে উৎপাদন ব্যয় প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে।
অনেক কারখানা বর্তমানে তাদের মোট সক্ষমতার মাত্র অর্ধেক ব্যবহার করে উৎপাদন চালাচ্ছে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি কারখানাগুলো অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে রয়েছে।
বিটিকেজির কনভেনার ফজলে শামীম এহসান বলেন, শিল্পটি টিকিয়ে রাখতে হলে সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ নীতি সহায়তা প্রয়োজন। তাঁদের প্রধান দাবিগুলো হলো:
-
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা।
-
রপ্তানি বৃদ্ধিতে বিশেষ প্রণোদনা ও ঋণ সহায়তা।
-
বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণে রপ্তানি সহায়ক নীতিমালা গ্রহণ।
সংকটের মধ্যেও শিল্পের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণে আয়োজন করা হচ্ছে চারদিনব্যাপী বিশাল এক প্রদর্শনী।
২৯ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-তে এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
বাংলাদেশ, চীন, ভারত, জাপান, তুরস্কসহ প্রায় ৩০টি দেশের ১,০০০-এর বেশি প্রদর্শক এতে অংশ নেবে। ১,২০০টিরও বেশি বুথ নিয়ে প্রায় ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে এই প্রদর্শনী বিস্তৃত থাকবে।
আধুনিক টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি, নিটিং ও বয়ন প্রযুক্তি, সেলাই যন্ত্র এবং আধুনিক রং ও রাসায়নিকসহ পোশাক শিল্পের সর্বশেষ প্রযুক্তি এখানে দেখা যাবে। বিকেএমইএ ও বিইউটেক্স-এর সহযোগিতায় শিল্পের ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে তিনটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।








