অনুপম খের জানান, দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ও তাঁর স্ত্রী কিরণ খের একটি স্থায়ী আবাসের খোঁজে ছিলেন। তবে সঠিক বাড়ি খুঁজে পেতেই চার বছর সময় কেটে যায়। এর মধ্যে কিরণ খের এমপি নির্বাচিত হয়ে চণ্ডীগড়ে চলে যান। একা মুম্বাইয়ে থাকার সময় অনুপম উপলব্ধি করেন, সম্পদের এই অন্তহীন প্রতিযোগিতার কোনো শেষ নেই।তাঁর মতে, মালিকানার চেয়ে ভাড়ায় থাকায় ঝক্কি অনেক কম।তিনি বলেন, “কারো কাছে ১০ কোটি টাকা থাকলে সে ২০ কোটির স্বপ্ন দেখে। এই চাওয়া কখনো শেষ হয় না। মানুষ এখন ঠিকমতো বাঁচতেই ভুলে গেছে।”
ব্যর্থতাকে জীবনের সেরা শিক্ষক উল্লেখ করে অনুপম খের বলেন, ব্যর্থতা মানুষকে নতুনভাবে গড়তে সাহায্য করে। মাঝে মাঝে তিনি নিজেও বিষণ্ণতায় ভোগেন, তবে পরক্ষণেই জীবনের আনন্দ খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করেন। সাদামাটা জীবনযাপনের মাধ্যমেই তিনি এখন প্রকৃত সুখ খুঁজে পাচ্ছেন।
নিজের জন্য মুম্বাইয়ে বাড়ি না কিনলেও, মায়ের আজীবনের শখ পূরণে কোনো কমতি রাখেননি অনুপম। শিমলায় তাঁর মায়ের একটি বড় বাড়ির স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্নপূরণে তিনি সেখানে একটি বিশাল বাংলো কিনে দিয়েছেন। নিজের জন্য স্থায়ী ঠিকানা না থাকলেও মায়ের মুখে হাসি ফোটাতে পেরেই তিনি তৃপ্ত।







