একসঙ্গে খেলে পেটব্যথা, বমি ভাব এবং তীব্র হজমের গোলমাল হতে পারে। দুধ খাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বা পরে লেবু বা টকজাতীয় ফল খাওয়া উচিত।
দুধ নিজেই একটি উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার। মাছ বা মাংসও প্রোটিন সমৃদ্ধ। দুটি ভিন্নধর্মী প্রোটিন যখন পাকস্থলীতে একসাথে মেশে, তখন তা হজম করা শরীরের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।
এতে ডায়রিয়া, বমি, গ্যাস্ট্রিক এবং অনেকের ক্ষেত্রে ত্বকের অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সকালের নাশতায় ‘মিল্কশেক’ বা দুধ-কলা খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে। তবে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র ও আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান অনুযায়ী এটি আদর্শ জুটি নয়।
এই সংমিশ্রণ শরীরে কফের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। যাদের সাইনাস বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
ফার্মেন্টেড বা খামিরযুক্ত খাবার যেমন ইডলি বা দোসার সাথে দুধ খাওয়া মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়।ল্যাকটোজ এবং খামিরের বিক্রিয়ায় পেটে গ্যাস ও অ্যাসিডিটির সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স থাকলে এটি মারাত্মক পেটফাঁপা তৈরি করতে পারে।
চকোলেট মিল্ক ছোট-বড় সবার পছন্দ হলেও এর একটি নেতিবাচক দিক রয়েছে। কোকোতে থাকা অক্সালেট দুধের ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা দেয়। ফলে হাড়ের গঠন মজবুত হওয়ার বদলে বাধাগ্রস্ত হয়। এছাড়া অতিরিক্ত চিনি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
পিৎজা, বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা অতিরিক্ত মশলাযুক্ত বিরিয়ানি খাওয়ার পর দুধ পান করা বিপজ্জনক।
ফাস্টফুডের লবণ ও তেল দুধের পুষ্টিগুণ নষ্ট করে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে লিভার ও হজমশক্তির ক্ষতি করে।








