বইয়ের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, নিয়মিত বই পড়লে বিনোদন পাওয়া যায়, মানসিক চাপ কমে, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং ভাষার ওপর দক্ষতা বাড়ে। পাশাপাশি বই মানুষের কল্পনাশক্তি ও চিন্তার গভীরতাও বাড়ায়।
বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের উদাহরণ টেনে বলা হয়, তিনি এক সাক্ষাৎকারে রকেট তৈরির ধারণা পাওয়ার পেছনে বই পড়াকে মূল উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বই পড়া মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে এবং আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পড়াশোনা নিউরনের সংযোগ বাড়িয়ে মস্তিষ্ককে আরও কার্যকর করে তোলে।
মানসিক চাপ কমাতেও বই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ব্যস্ত জীবনের দুশ্চিন্তা দূর করতে বই পড়া একটি কার্যকর অভ্যাস বলে মত দিয়েছেন গবেষকরা। এছাড়া শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হওয়া, লেখার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ক্ষেত্রেও বই সহায়ক।
ঘুমের সমস্যায় ভোগা মানুষের জন্যও বই পড়াকে উপকারী হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঘুমানোর আগে বই পড়ার অভ্যাস ভালো ঘুম নিশ্চিত করতে পারে।
এছাড়া বইকে দীর্ঘদিন ভালো রাখতে কিছু নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেমন—পরিষ্কার হাতে বই ধরা, বুকমার্ক ব্যবহার, শুষ্ক স্থানে রাখা, নিয়মিত পরিষ্কার করা এবং প্রয়োজন হলে মেরামত করা।
সব মিলিয়ে প্রযুক্তির যুগে বই পড়ার অভ্যাস কমে গেলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, বই এখনো মানুষের জীবনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও নিঃস্বার্থ বন্ধু হিসেবে রয়ে গেছে।








