হামলার পর এলকিন্স একটি গাড়ি ছিনতাই করে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে তিনি নিহত হন। তবে তার মৃত্যু পুলিশের গুলিতে নাকি আত্মহত্যাজনিত, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
পরিবার ও তদন্ত সূত্র জানায়, এলকিন্স দীর্ঘদিন ধরে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন এবং সম্প্রতি তিনি গভীর হতাশা ও আত্মহত্যার চিন্তার কথা বলেছিলেন। ইস্টার সানডের দিন তিনি স্ত্রী শানিকা পুঘের সঙ্গে বিচ্ছেদের বিষয় নিয়েও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ভয়াবহ পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মেয়র এই ঘটনাকে শহরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেদনাদায়ক ট্র্যাজেডিগুলোর একটি বলে মন্তব্য করেছেন।
পুলিশ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চালাচ্ছে এবং হামলার পেছনের প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।








