অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রাত ১টা ২০ মিনিটে অভিযান শুরু হয় একটি দুইতলা বিশিষ্ট আবাসিক ভবনে, যেখানে বিভিন্ন দেশের শ্রমিকরা বসবাস করছিলেন। ভবনের নিচতলায় একটি মুদি দোকানও ছিল, যেখানে আশপাশের শ্রমিকদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হতো।
অভিযানে কেদাহ অভিবাসন বিভাগের প্রায় ৩০ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। প্রাথমিক যাচাইয়ে মোট ৩৩ জন বিদেশিকে পরীক্ষা করা হয়। তাদের মধ্যে চীন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের নাগরিকরা ছিলেন। যাচাই শেষে ১৬ জনকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক করা হয়, যার মধ্যে ১০ জন চীনা, ৫ জন বাংলাদেশি এবং ১ জন মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছে।
অভিযান চলাকালে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের আটক করতে সক্ষম হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা সবাই ওই ভবনে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন না, তবে কাজের কারণে অস্থায়ীভাবে অবস্থান করছিলেন।
অভিবাসন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি বলেন, স্থানীয় অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে। আটকদের সিক জেলার বেলান্তিক আটক কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত কেদাহ রাজ্যে শতাধিক অভিযান চালানো হয়েছে এবং হাজারের বেশি বিদেশিকে যাচাই করা হয়েছে। অভিবাসন আইন ভঙ্গের অভিযোগে শত শত মানুষকে আটক করা হয়েছে।
এদিকে কর্তৃপক্ষ নিয়োগদাতাদের সতর্ক করে বলেছে, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ বা কাজ করানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।








