প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছিলেন। তাদের প্রশিক্ষণের মধ্যে ছিল নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার, সংবেদনশীল স্থাপনা চিহ্নিতকরণ এবং বিস্ফোরক প্রজেক্টাইল তৈরির কৌশল।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ইরানের সামরিক ও সরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এসব কর্মকাণ্ডের ভিডিও তাদের নিয়ন্ত্রণকারীদের কাছে পাঠাতেন। এর বিনিময়ে তারা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে অর্থ গ্রহণ করতেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, তারা একটি গুপ্তচর নেটওয়ার্কের অংশ ছিল, যারা অনলাইন যোগাযোগ ও ইরাকি কুর্দিস্তান সফরের মাধ্যমে মোসাদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। পরে তাদের তেহরানের দুটি সরকারি ও সামরিক কেন্দ্রে হামলার নতুন মিশন দেওয়া হয়।
এই ঘটনার মধ্যেই ইরানে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার অনুপ্রবেশ নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেভিড বারনিয়া দাবি করেন, সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের সময় তাদের এজেন্টরা তেহরানের কেন্দ্রস্থলে সক্রিয় ছিল।








