Search
Close this search box.

‘গ্যাংস্টার’-এর ২০ বছর: ডাল রাঁধতেন অনুরাগ, পেঁয়াজ কাটতেন কঙ্গনা!

অহনা

ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম ‘কাল্ট ক্লাসিক’ হিসেবে পরিচিত ‘গ্যাংস্টার’ মুক্তির দুই দশক পূর্ণ হতে চলেছে। এই বিশেষ মাইলফলক সামনে রেখে সিনেমার নেপথ্যের অনেক অজানা ও রোমাঞ্চকর স্মৃতি শেয়ার করেছেন পরিচালক অনুরাগ বসু। সামান্য বাজেট আর অদম্য জেদ নিয়ে কীভাবে একটি সিনেমা ইতিহাস গড়তে পারে, ‘গ্যাংস্টার’ তারই এক অনন্য উদাহরণ।

অনুরাগ বসু জানান, সিনেমার মূল ভাবনাটি এসেছিল প্রখ্যাত নির্মাতা মহেশ ভাটের কাছ থেকে। ভাট সাহেব শুধু একটি লাইন বলেছিলেন—“একজন গ্যাংস্টারকে তার প্রেমিকা ধোঁকা দিচ্ছে।” এই সাধারণ ভাবনাটি অনুরাগের মাথায় গেঁথে যায়। তখন তিনি ‘লাইফ ইন আ মেট্রো’র চিত্রনাট্য নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও, বিরতি নিতে মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে লিখে ফেলেন ‘গ্যাংস্টার’-এর পুরো স্ক্রিপ্ট।

সিমরান চরিত্রের জন্য অনুরাগ একজন ‘পাহাড়ি মেয়ে’ খুঁজছিলেন। অনেক অডিশনের পর কঙ্গনা রানাওয়াতকে দেখা মাত্রই তাঁর মনে হয়েছিল, একেই খুঁজছিলেন। তবে মজার ব্যাপার হলো, কঙ্গনাকে চূড়ান্ত করার আগে অনুরাগ আরও ৫-৬ দিন অপেক্ষা করেছিলেন—যদি আরও ভালো কাউকে পাওয়া যায়! শেষ পর্যন্ত কঙ্গনাই বলিউডে নতুন সেনসেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

সিনেমাটির শুটিং যখন শুরু হয়, অনুরাগ বসু তখন ক্যানসারের চিকিৎসার (কেমোথেরাপি) মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও জেদ ধরে দক্ষিণ কোরিয়ায় শুটিং করতে যান তিনি।

মাত্র সাড়ে তিন কোটি টাকার বাজেটে এক ছোট ইউনিট নিয়ে কাজ করেছিলেন তারা।খরচ বাঁচাতে তাঁরা নিজেরাই রান্না করতেন। অনুরাগ স্মৃতিচারণা করে বলেন, “আমি ডাল রাঁধতাম আর কঙ্গনা পেঁয়াজ কাটত। খেয়েই আমরা শুটিংয়ে বেরিয়ে পড়তাম।”

সংগীত পরিচালক প্রীতমের সঙ্গে অনুরাগের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এই সিনেমার গানে অন্য মাত্রা যোগ করেছিল। অবাক করা তথ্য হলো:

জনপ্রিয় গান ‘ইয়া আলি’ প্রথমে সিনেমার অংশই ছিল না। একেবারে শেষ মুহূর্তে জুবিন গার্গ মুম্বাই এলে গানটি রেকর্ড ও যোগ করা হয়।

অনুরাগের ব্যক্তিগত পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরা ‘ভিগি ভিগি’ গানটি।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ