তিনি বলেন, এপ্রিলের শুরুতেই একবার এলপিজির দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। দেশে শহরের অধিকাংশ মানুষ রান্নার জন্য এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। ফলে বারবার এই মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং মুদ্রাস্ফীতি আরও তীব্র করছে।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংকটে আইএমএফসহ বিভিন্ন সংস্থা সরকারের ব্যয় কমানোর পরামর্শ দেয়। কিন্তু সরকার ব্যয় কমানোর পরিবর্তে সহজ পথ হিসেবে জ্বালানির দাম বাড়াচ্ছে। এর প্রভাব শুধু জ্বালানিতে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং প্রতিটি পণ্যের দামে চাপ সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তোলে।
তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে দেশে বাড়ানো হলেও কমলে সেই সুবিধা জনগণ পায় না—এটি ন্যায়সঙ্গত নয়। একইভাবে মূল্যবৃদ্ধির কারণে যেসব পণ্যের দাম বেড়ে যায়, তা আর কমে না।
দলটির পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং জনগণের কষ্ট লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।






