ববি হাজ্জাজ বলেন, বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো বিভিন্ন প্রণোদনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুলে আসা এবং শিক্ষাগ্রহণে আগ্রহী করা।
তিনি আরও বলেন, বৃত্তির অর্থের পরিমাণ এবং কতজন শিক্ষার্থী এই সুবিধা পাবে—এসব বিষয় নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন মানদণ্ড নির্ধারণের বিষয়েও আলোচনা চলছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সারাদেশের শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য ইতিবাচক।
তবে কিছু শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতে উপস্থিতি বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য প্রাথমিক শিক্ষার হারকে ৯৬ শতাংশে উন্নীত করা। এ জন্য প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমও জোরদার করা হবে।
পরিদর্শনের সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।








