ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আইএমএফের স্প্রিং মিটিংসে প্রকাশিত পূর্বাভাসে বলা হয়, চলমান সংঘাত অব্যাহত থাকলে চলতি বছরে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নেমে আসতে পারে প্রায় ২ শতাংশে। একই সঙ্গে আগামী বছরে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশেরও বেশি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আইএমএফের বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ যদি দীর্ঘায়িত হয় এবং অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি বাড়তে থাকে, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতি আরও গভীর সংকটে পড়বে। বিশেষ করে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ার কারণে তেল ও গ্যাসের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে, যা সরাসরি উৎপাদন ও পরিবহন খরচ বাড়িয়ে দেবে।
সংস্থাটি মনে করে, এই সংকটের প্রভাব সব দেশের ওপর সমানভাবে পড়বে না। মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলো—যাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তুলনামূলকভাবে দুর্বল—তারা আরও বেশি অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়বে।
আইএমএফের মতে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর এই চাপ অনেক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র বা উন্নত দেশগুলোর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া আরও ধীর হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।








