ট্রাম্প আরও বলেন, যদি এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ইরান থেকে সব ধরনের সামরিক কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়, তাহলে দেশটি পুনর্গঠনে দীর্ঘ সময় লাগবে। তাঁর ভাষায়, “আমরা এখনো আমাদের কাজ শেষ করিনি”—যা থেকে বোঝা যায়, সামরিক চাপ বজায় রেখেই কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে United States ও Israel যৌথভাবে সামরিক অভিযান শুরু করে Iran-এ। প্রায় ৪০ দিনের টানা সংঘাতের পর উভয় পক্ষ ১৪ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়, যা পরিস্থিতি শান্ত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এই যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী চুক্তিতে রূপ দিতে গত ১১ এপ্রিল Islamabad-এ মুখোমুখি বৈঠকে বসে দুই দেশের প্রতিনিধিরা। দীর্ঘ প্রায় ২২ ঘণ্টার আলোচনা সত্ত্বেও কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়নি, তবে আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষই আগ্রহ প্রকাশ করে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে, যেখানে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ার এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করতে পারে।







