যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (Home Office) তথ্য অনুযায়ী, যৌন পরিচয়ের ভিত্তিতে রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার প্রবণতা নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি:২০২৩ সালে সমকামী আশ্রয়ের আবেদনের ৪২ শতাংশই ছিল পাকিস্তানিদের। মোট ৫৭৮ জন পাকিস্তানি নাগরিক এই আবেদন করেছেন।
তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। গত বছর বাংলাদেশের ১৭৫ জন নাগরিক সমকামী পরিচয়ে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।ভারত থেকেও এই ধরনের আবেদনের প্রবণতা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ পরিসংখ্যানবিদরা।
বিবিসির সাংবাদিকরা ছদ্মবেশে জালিয়াতিতে জড়িত ল’ ফার্মগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করলে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য বেরিয়ে আসে:
তারা পাকিস্তানি পরিচয় দেওয়া ছদ্মবেশী সাংবাদিককে সমকামী প্রমাণ করতে ভুয়া সাক্ষী জোগাড় করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। এমনকি একজনকে ‘এইচআইভি পজিটিভ’ হিসেবে ভুয়া পরিচয় দিয়েও আশ্রয় পাইয়ে দেওয়ার উদাহরণ দিয়েছে তারা।
একবার সমকামী পরিচয়ে স্থায়ী হওয়ার পর আবেদনকারীর স্ত্রী বা স্বামীকেও যুক্তরাজ্যে নিয়ে আসার আশ্বাস দেয় এই অসাধু চক্র।
যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী, ভুয়া তথ্য দিয়ে আশ্রয়ের আবেদন করা একটি গুরুতর অপরাধ।
দোষী প্রমাণিত হলে কারাদণ্ড এবং দেশ থেকে বহিষ্কারের (Deportation) বিধান রয়েছে।বিশেষজ্ঞ আইনজীবীরা বলছেন, এই প্রতারণার ফলে প্রকৃত বিপদগ্রস্ত সমকামী ব্যক্তিদের দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়ছে এবং তাঁরা আইনি জটিলতায় পড়ছেন।ব্রিটিশ সংসদের সদস্যরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।







