গোয়েন্দা সূত্র ও দলত্যাগীদের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরীয় সেনাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বন্দি হওয়ার পরিবর্তে আত্মঘাতী পদক্ষেপ নিতে। ধারণা করা হয়, এই কৌশল যুদ্ধক্ষেত্রে ধরা পড়ার সম্ভাবনা এড়াতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানায়, পিয়ংইয়ংয়ে নিহত সেনাদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনকালে কিম বলেন, কোনো প্রতিদানের আশা ছাড়া তাদের আত্মত্যাগ এবং নিষ্ঠাই সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ আনুগত্যের প্রতীক।
অনুষ্ঠানে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোউসভ এবং সংসদের স্পিকার ভ্যাচেস্লাভ ভোলোডিনও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান এবং সেনাদের ‘আত্মত্যাগ’কে বীরত্ব হিসেবে তুলে ধরার বিষয়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও যুদ্ধনীতির আলোচনায় নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।








