বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যেখানে অন্তত ৭ জন শিক্ষক থাকার কথা, সেখানে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৪ জন। সংকটের গভীরতা আরও বেড়েছে নিচের কারণে:
২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রধান শিক্ষক দুলাল মিয়া বদলি হওয়ার পর থেকে পদটি শূন্য। বর্তমানে সহকারী শিক্ষিকা মমতাজ আক্তার ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কর্মরত ৪ জনের মধ্যে একজন বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে আছেন। অবশিষ্ট ৩ জনের মধ্যে আবার একজনের বদলির আদেশ রয়েছে।
বর্তমানে মাত্র ৩ জন শিক্ষিকাকেই প্রতিদিন ৬টি শ্রেণির পাঠদান সামলাতে হচ্ছে, যা তাঁদের ওপর চরম মানসিক ও শারীরিক চাপ সৃষ্টি করছে।
১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি আশপাশের প্রায় ১০টি গ্রামের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার একমাত্র ভরসা। তবে এলাকাটি উপজেলা সদর থেকে দুর্গম হওয়ায় শিক্ষকরা এখানে আসতে আগ্রহী হন না। যারা আসেন, তারাও দ্রুত বদলি হয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে শিক্ষার মান ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে এবং শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মমতাজ আক্তার জানান, সীমিত জনবল নিয়ে তাঁরা সাধ্যমতো চেষ্টা করলেও পর্যাপ্ত শিক্ষক ছাড়া মানসম্মত শিক্ষা প্রদান অসম্ভব হয়ে পড়ছে।
এ বিষয়ে বন্দর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আজমল হোসেন বলেন:
“বিদ্যালয়টির শিক্ষক শূন্যপদের বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত। সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়া বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নিয়োগ সম্পন্ন হলেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই বিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষক পদায়ন করা হবে।”







