হোটেলের কর্মচারীরা দাবি করেন যে, পেঁয়াজ ছাড়া তৈরি ভর্তা ৭ দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে অনেক ক্ষেত্রে রাতের তৈরি করা ভর্তাকেই সকালে ‘তাজা’ বলে চালানো হয়। অনেক সময় ভর্তার মধ্যে পাথর বা পোকামাকড় পাওয়ার অভিযোগও করেছেন নিয়মিত খাবার গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা।
অস্বাস্থ্যকর ও বাসি হওয়ার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও বটতলায় মানুষের আগ্রহ কমছে না। এর প্রধান কারণগুলো হলো:
অন্যান্য জায়গার তুলনায় এখানে খাবারের দাম অনেক কম। হলের ডাইনিং ও ক্যান্টিনের খাবারের মান এবং পদের সীমাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়েই বটতলায় খান।আলু, বেগুন, ডাল থেকে শুরু করে চিংড়ি, টাকি, রুই মাছ ও চিকেন ভর্তার মতো লোভনীয় আইটেম পর্যটকদেরও আকৃষ্ট করে।
বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রের চিকিৎসকরা বটতলার খাবার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রধান মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শামছুর রহমান জানান:
বাসি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে পেট ব্যথা, বমি ও পেটের পীড়া হতে পারে। কয়েক বছর নিয়মিত এই খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিক, আলসার ও লিভারের জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি থাকে। প্রতিদিন বহু শিক্ষার্থী এসব সমস্যা নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে ভিড় করছেন।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও আ ফ ম কামাল উদ্দীন হলের প্রাধ্যক্ষ এ কে এম রাশিদুল আলম জানিয়েছেন:
“দোকানগুলো যে সব হলের অধীনে রয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রাধ্যক্ষদের তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। খাবারের মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত দোকান পরিদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”







