বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মেধাবী শিক্ষার্থী মুনিরা মেহজাবিনের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে বিভাগ শোকে স্তব্ধ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ একাডেমিক কমিটির সভায় ড. সুদীপ চক্রবর্তীকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আইনি প্রক্রিয়া নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি বিভাগের কোনো ক্লাস, পরীক্ষা কমিটি বা একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।মামলা হওয়ার পর ড. সুদীপকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গত রোববার ভোরে উত্তর বাড্ডার একটি বাসা থেকে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০২৪ সালের এমএ ২য় সেমিস্টারের ছাত্রী মুনিরা মেহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী এবং এক সহপাঠী ছাত্রীর নাম উল্লেখ ছিল। নোটে লেখা ছিল— “সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে… আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো, স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেয়া…।”
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নিহতের বাবা বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর রোববার বিকেলেই রাজধানীর উদয় ম্যানসন এলাকা থেকে সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মিমোর পরিবার জানিয়েছে, ঘটনার দিন ভোরে মিমোর রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মিমোর সহপাঠীরা জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত সুইসাইড নোটে শিক্ষকের নাম থাকায় তাঁরা শুরু থেকেই সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।







