তিনি উল্লেখ করেন যে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত জিডিপি প্রায় ৫৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার হওয়া সত্ত্বেও পারস্পরিক বাণিজ্য মাত্র ১ শতাংশের কাছাকাছি।
এই বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশ কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে আঞ্চলিক সম্ভাবনাকে পূর্ণ ব্যবহার করতে চায়।
বৈঠকে সৌর ও জলবিদ্যুৎ খাতে যৌথ বিনিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়:
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় স্বল্প দূরত্বে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন উভয় দেশের জন্য পারস্পরিকভাবে লাভজনক হতে পারে।
ভুটানের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের বুড়িমারি সীমান্ত থেকে ভুটানের দূরত্ব মাত্র ১০০ কিলোমিটারের কাছাকাছি। এই নিকটবর্তী অবস্থানের কারণে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ উভয় দেশের জন্যই সুবিধাজনক।
ভুটানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোর শিক্ষার মান ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের প্রশংসা করেন:
ভুটানের অসংখ্য শিক্ষার্থী বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে পড়াশোনা করছেন এবং দেশে ফিরে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত হচ্ছেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাণিজ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রদূত এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও নিবিড় করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।






