ইউনিটটি থেকে বর্তমানে ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। বিপিডিবি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন, কারিগরি সক্ষমতা যাচাই সাপেক্ষে বিদ্যুৎ সরবরাহ ধীরে ধীরে আরও বাড়ানো হবে।
আদানির পাশাপাশি আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল, ২০২৬) থেকে আরও দুটি বড় কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা রয়েছে:
আজ থেকে গ্রিডে অতিরিক্ত ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করার কথা রয়েছে।আরপিসিএল ও চীনের নরিনকোর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এই প্ল্যান্ট থেকেও আজ থেকে ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা।
বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। সে সময় উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৭১২ মেগাওয়াট, ফলে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি ঘাটতি ছিল। আদানি এবং নতুন অন্যান্য কেন্দ্রগুলো সচল হওয়ায় এই ঘাটতি অনেকটাই কমে আসবে এবং দেশব্যাপী লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।






