বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ছাত্রীটি আত্মহত্যা করেছেন। তার মোবাইল ফোন থেকে পাওয়া কিছু তথ্যের ভিত্তিতে বিভাগের একজন শিক্ষক ও তার এক ঘনিষ্ঠ শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করছে বিভাগ।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে একজন শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে রাখা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।








