এছাড়া কাচ বা স্টিলের বোতলে পানি ভরে তার গায়ে ভেজা সুতির কাপড় বা চটের বস্তা জড়িয়ে রাখলেও ভালো ফল পাওয়া যায়। কাপড় শুকিয়ে গেলে আবার ভিজিয়ে নিতে হয়। এতে বাষ্পীভবনের মাধ্যমে বোতলের পানি দীর্ঘক্ষণ শীতল থাকে।
পানির পাত্র কোথায় রাখা হচ্ছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। সরাসরি রোদ পড়ে এমন জায়গা এড়িয়ে ছায়াযুক্ত ও বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে পানি রাখলে তা তুলনামূলক ঠান্ডা থাকে। জানলার পাশে বা বারান্দার ছায়াযুক্ত জায়গা এ ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর।
আরেকটি কার্যকর পদ্ধতি হলো ভেজা বালির ব্যবহার। একটি বড় পাত্রে বালি ভিজিয়ে তার ওপর পানির কলসি বা বোতল বসিয়ে রাখলে বালির আর্দ্রতা ধীরে ধীরে বাষ্পীভূত হয়ে পানি ঠান্ডা রাখে। এই পদ্ধতি অনেকটা প্রাকৃতিক ফ্রিজের মতো কাজ করে।
তামার পাত্রেও পানি সংরক্ষণ করা যেতে পারে। এটি শুধু স্বাস্থ্যকরই নয়, বরং তাপ পরিবহনের বিশেষ গুণের কারণে পানিকে তুলনামূলক শীতল রাখতে সাহায্য করে।
সহজ এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে বিদ্যুৎ ছাড়াই গরমের দিনে ঠান্ডা পানি পাওয়া সম্ভব। এতে যেমন বিদ্যুৎ নির্ভরতা কমবে, তেমনি শরীরের জন্যও হবে বেশি উপকারী।




