তিনি জানান, গত ২১ এপ্রিল সাড়ে ৩ বছর বয়সী এক শিশুকে হামের উপসর্গ ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত অবস্থায় ময়মনসিংহের ত্রিশাল থেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৫৬ শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৭৫৫ শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৩ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়া ও অন্যান্য জটিলতা শিশুদের ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে। আক্রান্ত শিশুদের বেশিরভাগই জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে আসছে।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। চিকিৎসক ও নার্সরা নিবিড়ভাবে রোগীদের সেবা দিচ্ছেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি, সচেতনতার অভাব এবং মৌসুমি সংক্রমণ মিলিয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তারা দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
এদিকে একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক বাড়ছে। অভিভাবকরা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।








