ফাইনাল ম্যাচে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দুই প্রতিযোগীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়। প্রায় ২৫ মিনিটের টানটান লড়াইয়ের পর রাশেদ বলীকে পরাজিত করেন বাঘা শরীফ। হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো লালদীঘি মাঠ তখন উত্তেজনায় ভরে ওঠে।
খেলা শেষে আয়োজক কমিটি বাঘা শরীফকে চ্যাম্পিয়ন এবং রাশেদ বলীকে রানার আপ ঘোষণা করে। রাশেদ এবারও রানার আপ হওয়ায় ধারাবাহিকভাবে শীর্ষ অবস্থানে থাকলেও শিরোপা জিততে পারেননি।
চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে আয়োজিত এই ঐতিহ্যবাহী বলী খেলাকে ঘিরে সকাল থেকেই হাজারো দর্শকের ভিড় জমে। চট্টগ্রাম ছাড়াও কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিযোগী ও দর্শকরা এতে অংশ নেন।
আয়োজকরা জানান, শত বছরের বেশি পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী খেলা স্থানীয় সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতি বছর বৈশাখের শেষে এই আয়োজন ঘিরে চট্টগ্রাম হয়ে ওঠে উৎসবমুখর।








