ব্যবসায়ীরা জানান, আগে মুড়িকাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গিয়েছিল, যার কারণে দাম কিছুটা বেড়েছিল। তবে এখন নাটোর, রাজশাহী, পাবনা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নতুন হালি পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। এতে বাজারে সরবরাহ বেড়ে গিয়ে দাম কমে এসেছে।
হিলি বাজারের এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ী জানান, বর্তমানে মোকামে পেঁয়াজের সরবরাহ ভালো থাকায় পাইকারি দামে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। আগে যেখানে মণপ্রতি ১০০০ থেকে ১৩০০ টাকা দরে কিনতে হতো, এখন তা ৮০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারেও দাম কমিয়ে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, সরবরাহ এভাবে অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে পেঁয়াজের দাম আরও স্থিতিশীল থাকবে এবং বাড়ার সম্ভাবনা কম।
স্থানীয় ক্রেতারাও দাম কমায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবে তারা মনে করছেন, বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরবরাহ ব্যবস্থায় ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা জরুরি।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মৌসুমি উৎপাদন শুরু হলে এমন দামের ওঠানামা স্বাভাবিক। তবে সঠিক সরবরাহ ব্যবস্থাপনা থাকলে ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য স্থিতিশীল রাখা সম্ভব।








