অভিযানকালে দেখা যায়, বহির্বিভাগে তিনজন কনসালটেন্টের মধ্যে একজন উপস্থিত থাকলেও বাকি দুজন কোনো কারণ ছাড়াই অনুপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা নিয়মিত দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেন এবং হাজিরা খাতায়ও অনিয়ম রয়েছে।
পরিদর্শনের সময় একাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা না পাওয়ার অভিযোগ করেন। কেউ কেউ জানান, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও চিকিৎসকের দেখা পাননি। কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগও উঠে আসে, যা নিয়ে রোগীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
একজন রোগী অভিযোগ করেন, চিকিৎসা প্রক্রিয়ার জন্য নির্ধারিত খরচের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে। আরেকজন জানান, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাইরে থেকে যন্ত্রপাতি আনার কথা বলে বাড়তি টাকা নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সাংবাদিকদের বলেন, হাসপাতালের অনিয়ম ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণে এসেছে এবং এগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।
এ সময় জেলা সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে দ্রুত সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রতিটি কনসালটেন্টকে সপ্তাহে ছয় দিন দায়িত্ব পালনের নির্দেশনাও প্রদান করা হয়।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, নির্দেশনা অনুযায়ী অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোববার শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তের আওতায় রয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে এমন আকস্মিক অভিযানে অনিয়মের চিত্র উঠে আসায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে বলছেন, নিয়মিত তদারকি না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।








