রোববার (২৬ এপ্রিল) বেলা ১১টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে শুরু হওয়া এ বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্য, পরিকল্পনা কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সভায় মোট ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্প উপস্থাপন করা হচ্ছে, যার সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো খাতে চারটি, কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী উন্নয়ন খাতে দুটি এবং ভৌত অবকাঠামো খাতে ১১টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, গ্রামীণ অবকাঠামোর সম্প্রসারণ এবং নগর এলাকায় নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি করা।
উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে আঞ্চলিক সড়ক উন্নয়ন কর্মসূচি, গ্রামীণ পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ, নতুন সেতু নির্মাণ এবং নগর অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এছাড়া, একনেকের অবগতির জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রীর অনুমোদিত আরও ৩৩টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়েছে, যেগুলো মূলত চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সংশোধিত পরিকল্পনার অংশ।
এর আগে, গত ৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত একনেকের প্রথম সভায় ৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। যদিও ১৯টি প্রকল্প আলোচনার কথা থাকলেও সময় স্বল্পতার কারণে আটটি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা শেষে বৈঠক স্থগিত করা হয়। সেই অসম্পূর্ণ প্রকল্পগুলোর একটি অংশ আজকের বৈঠকে পুনরায় আলোচনায় আনা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দীর্ঘদিন ধরে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হলেও এবার সেই ধারা ভেঙে সচিবালয়ে বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ততা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।







