চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জাইকিন সাংবাদিকদের বলেন, “চীন এমন সব অভিযোগ ও সংযোগের কঠোর বিরোধিতা করে, যেগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে:
বিভিন্ন দেশের মধ্যে স্বাভাবিক আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক কোনো ধরনের বাধা বা হস্তক্ষেপের শিকার হওয়া উচিত নয়। ট্রাম্পের দাবিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং কল্পনাপ্রসূত হিসেবে দেখছে বেইজিং।
এর আগে গত মঙ্গলবার সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন যে, জব্দকৃত জাহাজটিতে ‘ভালো কিছু ছিল না’ এবং এটি সম্ভবত চীনের পক্ষ থেকে পাঠানো একটি ‘উপহার’। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, জাহাজটি ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন বন্দর অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। মার্কিন বাহিনী জাহাজটিতে গুলি চালিয়ে সেটিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।
পুরো ঘটনাটি ঘিরে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে:
ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে জাহাজটি চীন থেকে আসছিল। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে তারা ‘সশস্ত্র জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং এর কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, জব্দ করা ‘টউসকা’ নামের কনটেইনার জাহাজটিতে এমন কিছু পণ্য থাকতে পারে যা বেসামরিক ও সামরিক—উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহারযোগ্য (Dual-use items)।








