রিটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ ও ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও ধর্মচর্চার অধিকার নাগরিকের মৌলিক অধিকার।
বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা থাকা সত্ত্বেও কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা ফাতেমা বেগমকে বিমানে উঠতে বাধা দেন।
জীবনের শেষ সময়ে এসে আল্লাহর ঘর জিয়ারতের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হওয়ায় তিনি যে মানসিক ও আধ্যাত্মিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন, তাকে রিটে ‘কনস্টিটিউশনাল টর্ট’ বা সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনকারী এই অন্যায়ের প্রতিকার হিসেবে আদালতের কাছে দুটি বিশেষ আরজি জানিয়েছেন:
বাদীর অপূরণীয় মানসিক যন্ত্রণা ও ভোগান্তির জন্য বিবাদীদের ওপর ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং তাৎক্ষণিক ক্ষতি লাঘবে জরুরি ভিত্তিতে ১০ লাখ টাকা অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ প্রদানের আরজি জানানো হয়েছে।
আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান (মামুন) জানিয়েছেন, রিটটি শিগগিরই হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে শুনানির জন্য উঠবে। ওমরাহ যাত্রীদের অহেতুক হয়রানি বন্ধে এই রিটটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।







