Search
Close this search box.

মশার কামড়ে চুলকানি? ঘরোয়া উপায়েই মিলবে স্বস্তি

হাবিবা

ছবিঃ সংগৃহীত

গরম পড়লেই মশার উপদ্রব বাড়ে, আর এর সঙ্গে বাড়ে মশার কামড়ে ত্বকের চুলকানি বা ‘ইচি স্কিন’-এর সমস্যা। অনেক সময় ছোট একটি কামড়ও ত্বকে লালচে ফোলা, জ্বালা এবং অস্বস্তিকর চুলকানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে সামান্য সচেতনতা ও কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা থেকে দ্রুত স্বস্তি পাওয়া সম্ভব।

মশার কামড়ের পর শরীরের ইমিউন সিস্টেম হিস্টামিন নামক একটি রাসায়নিক নিঃসরণ করে, যার ফলে আক্রান্ত স্থানে চুলকানি ও ফোলাভাব দেখা দেয়। তাই প্রথমেই চুলকানো থেকে নিজেকে বিরত রাখা জরুরি। কারণ চুলকালে ত্বকের ওপরের স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

প্রাথমিকভাবে আক্রান্ত স্থানে ঠান্ডা কিছু ব্যবহার করলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। একটি পরিষ্কার কাপড়ে বরফ জড়িয়ে কয়েক মিনিট ধরে কামড়ের স্থানে ধরে রাখলে ফোলা কমে এবং চুলকানি অনেকটা হ্রাস পায়। একইভাবে ঠান্ডা পানিতে ভেজানো কাপড়ও ব্যবহার করা যেতে পারে।

ঘরে থাকা সাধারণ উপকরণ দিয়েও সহজে প্রতিকার পাওয়া যায়। অ্যালোভেরা জেল ত্বকে লাগালে তা শীতলতা দেয় এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। মধুও কার্যকর, কারণ এতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে, যা সংক্রমণ প্রতিরোধ করে এবং চুলকানি কমায়।

বেকিং সোডা ও পানি মিশিয়ে তৈরি পেস্ট আক্রান্ত স্থানে লাগালে ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় থাকে এবং দ্রুত চুলকানি কমে। অনেকেই তুলসী পাতার রস বা নিমপাতার পেস্ট ব্যবহার করে উপকার পান, কারণ এগুলোতে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক গুণ।

যদি চুলকানি বেশি হয়, তাহলে ফার্মেসিতে পাওয়া ক্যালামাইন লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ত্বককে ঠান্ডা রাখে এবং অস্বস্তি কমাতে সহায়তা করে। তবে ত্বকে অতিরিক্ত ফোলা বা অ্যালার্জি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সবচেয়ে ভালো উপায় হলো প্রতিরোধ। মশারি ব্যবহার, দরজা-জানালায় নেট লাগানো এবং জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা মশা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রয়োজনে মশা নিরোধক ক্রিম বা স্প্রে ব্যবহার করাও উপকারী।

সামান্য সচেতনতা ও কিছু সহজ ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করলেই মশার কামড়ের বিরক্তিকর চুলকানি থেকে সহজেই মুক্ত থাকা সম্ভব।


সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ