রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংসদীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে।
তিনি আরও জানান, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবেন। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সংলাপ আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের নতুন আমদানি নীতি আদেশ সম্পর্কেও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ রয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, নতুন “আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬” প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো কাজ করছে। খুব শিগগিরই এর খসড়া ব্যবসায়ী মহলের মতামতের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে তিনি জানান।
বৈঠকে উভয় পক্ষই বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও নীতিগত সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পলিটিক্যাল-ইকনমিক কাউন্সিলর এরিক গীলান উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের সংলাপ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে পারে এবং ভবিষ্যতে বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।








