প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তার বিরুদ্ধে তেহরানের কোলহাক মসজিদে অগ্নিসংযোগ এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, তিনি সংগঠিত একটি নেটওয়ার্কের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, যা দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কাজ করছিল।
ঘটনাটি গত জানুয়ারিতে ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় সংঘটিত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই সময় দেশজুড়ে ব্যাপক আন্দোলন হলেও সরকার কঠোর অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ইরানের সুপ্রিম কোর্ট পরে নিম্ন আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে। এরপর মঙ্গলবার ভোরে দণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানায় মিজান।
এ ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরানে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরকারবিরোধী আন্দোলন এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে দেশটি সাম্প্রতিক সময়ে কঠোর অবস্থান বজায় রাখছে।








