ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের অর্থপ্রবাহ বন্ধ করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়’ পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছে যে, ইরানকে সাহায্যকারী বা নিষিদ্ধ পণ্য বহনকারী যেকোনো জাহাজের বিরুদ্ধে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় পেন্টাগন জানায়:
“ইরানকে মালামাল বা সাহায্য পৌঁছে দিচ্ছে এমন সব অবৈধ নেটওয়ার্ক ও নিষিদ্ধ জাহাজগুলো খুঁজে বের করতে আমরা বিশ্বজুড়ে নজরদারি চালাচ্ছি। এম/টি টিফানি-র বিরুদ্ধে পরিচালিত এই অভিযান আমাদের সেই নজরদারিরই অংশ।”
এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এই ধরনের সামরিক অভিযান নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন মিত্র দেশগুলো ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি কঠোর বার্তা দিল যে, ইরানের সাথে যেকোনো ধরনের বাণিজ্যিক বা কৌশলগত লেনদেন সহ্য করা হবে না।








