গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বর মাসে স্বীকৃতি পাওয়ার সময় গার্টির বয়স ছিল ১৫ বছর ১০০ দিনের বেশি। চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। এর আগে সবচেয়ে বেশি বয়সী মুরগির রেকর্ড ছিল যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ‘পার্ল’-এর দখলে, যা মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে গার্টি ভেঙে দেয়।
গার্টির জন্ম ২০১০ সালের জুলাই মাসে। ফ্র্যাঙ্ক টুরেক অনলাইনে আটটি মুরগির বাচ্চা অর্ডার করেছিলেন, যা ২৭ জুলাই তার বাড়িতে পৌঁছায়। সেই ছানাদের মধ্য থেকেই একটি ছিল গার্টি।
শুরুর দিক থেকেই গার্টি ছিল আলাদা স্বভাবের। ছোট জাতের হলেও সে ছিল চঞ্চল ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন। মালিকের ভাষায়, গার্টি অন্য মুরগিদের ওপর সহজেই প্রভাব বিস্তার করত এবং এক পর্যায়ে মোরগের মতো ডাক দিয়েও সবাইকে অবাক করে দেয়।
জীবনের এক পর্যায়ে গার্টি বড় মুরগিদের আক্রমণে গুরুতর আহত হয়। ২০২৪ সালের বড়দিনে মাথায় মারাত্মক আঘাত পাওয়ার পর তার বেঁচে থাকা নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। তবে ফ্র্যাঙ্ক টুরেকের নিবিড় যত্ন ও চিকিৎসায় সে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে।
বর্তমানে বয়সজনিত কারণে গার্টির দৃষ্টিশক্তি পুরোপুরি হারিয়ে গেছে। তবে দীর্ঘ জীবনের এই যাত্রায় সে এখনো বেঁচে আছে এবং নিজের সীমিত সক্ষমতা নিয়েও জীবন কাটাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গার্টির মতো দীর্ঘজীবী পোলট্রি প্রাণী বিরল এবং এর পেছনে যত্ন, পরিবেশ ও খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।








