নগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দলের নগর শাখার সদস্যদের মতামত ও সাংগঠনিক বিবেচনায় হেলালীকে চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়েছে। আসন্ন চসিক নির্বাচনে তিনি জামায়াতের হয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ষোলশহর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ আসনেও জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
এর আগে চসিক মেয়র পদে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েমের নাম আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত শূরা বৈঠকের সিদ্ধান্তে হেলালীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে নগর জামায়াতের শূরা বৈঠক শুরু হয়, যা কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নগর জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন নগর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিন। এতে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানসহ কেন্দ্রীয় ও নগর পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন চসিক নির্বাচনকে ঘিরে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা।








