দলীয় সূত্রে জানা যায়, মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যও। রাজনৈতিক জীবনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন।
তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক কেন্দ্রীয় সভানেত্রী ছিলেন এবং পরবর্তীতে মানবাধিকার ও আইন সহায়তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
দলীয় নেতাদের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজ, ত্যাগ ও সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় সাবিকুন্নাহার মুন্নী বলেন, দল তার ওপর আস্থা রেখেছে এবং সুযোগ পেলে তিনি নারীদের অধিকার ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করবেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে, যেখানে একই পরিবারের দুইজনের নির্বাচনী প্রেক্ষাপট ভিন্নভাবে আলোচিত হচ্ছে।








