কাল্কির ভাষায়, সেই সময় তিনি বুঝতে পেরেছিলেন মন ও শরীর কতটা গভীরভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। মানসিক কষ্ট ধীরে ধীরে শারীরিক ক্লান্তি ও অবসাদে রূপ নেয়। টানা কয়েক মাস ঘুমহীনতায় ভোগার ফলে তার দৈনন্দিন কাজেও প্রভাব পড়ে।
রাতের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রায়ই গভীর রাতে ঘুম ভেঙে যেত এবং এরপর আর ঘুম আসত না। সেই সময়টা কাটাতে কখনও গিটার বাজাতেন, কখনও অন্য কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করতেন। তবুও স্বাভাবিক ঘুমের অভাব তাকে ভীষণভাবে ক্লান্ত করে তুলেছিল।
এই অনিদ্রা এতটাই তীব্র হয়ে উঠেছিল যে, কাজের সময়ও তিনি বিভ্রান্ত বোধ করতেন। অনেক সময় বুঝতেই পারতেন না তিনি জেগে আছেন নাকি স্বপ্ন দেখছেন। টানা কয়েক মাস এমন অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে।
বর্তমানে সেই কঠিন সময় পেছনে ফেলে অনেকটাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন কাল্কি। তবে জীবনের এই অভিজ্ঞতা তাকে শিখিয়েছে মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব কতটা গভীর।








