অবরোধের ফলে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যা যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে ফেলে।
আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের কাছে ৪টি সুনির্দিষ্ট দাবি পেশ করেন:
বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পুলিশ ফাঁড়িতে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা।দায়ী লরি চালককে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে সার্বক্ষণিক ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ করা।
আহত শিক্ষার্থী তামিম হোসেনের সুচিকিৎসা ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা।
অবরোধের খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, পুলিশ এবং বাস মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। দীর্ঘ আলোচনার পর দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে দেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলম জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।








