গত ১৭ এপ্রিল নুমালীগড় থেকে নতুন করে ৫ হাজার টন ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়, যা আজ ভোররাতে ডিপোতে গ্রহণ করা হয়।
চলতি ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট ৪৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
এর আগে ১ এপ্রিল ৭ হাজার টন এবং ৭ এপ্রিল পাম্পিং শুরু হয়ে ১০ এপ্রিলের মধ্যে আরও ৮ হাজার টন ডিজেল পার্বতীপুর ডিপোতে এসে পৌঁছেছিল।
বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে নির্মিত এই পাইপলাইনটি জ্বালানি তেলের পরিবহন খরচ ও সময় অনেকাংশে কমিয়ে এনেছে। মার্চ মাসেও দুই দফায় (১১ ও ২৩ মার্চ) মোট ১০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এই পথেই দেশে এসেছিল। বর্তমানে পার্বতীপুর ডিপো থেকে উত্তরের জেলাগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই আমদানি বড় ভূমিকা রাখছে।
সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট এবং বিশ্ববাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় এই নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সেচ কাজ এবং পরিবহন খাতের চাহিদা মেটাতে পার্বতীপুর ডিপোর এই মজুত উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় বড় ধরণের স্বস্তি দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।






