২৬৯ জন পরীক্ষার্থীই অনুপস্থিত ছিল, যা মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩৩.৯%। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি দেখে কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষকরাও বিস্ময় ও প্রকাশ করেছেন।
পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আদমদীঘি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বেশ কিছু সমস্যার কথা জানিয়েছেন তাঁরা:
অনেক শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত আলো ও বৈদ্যুতিক পাখার ব্যবস্থা ছিল না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। এমনকি বাথরুম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পোহাতে হয়েছে ভোগান্তি।
অভিভাবকরা জানান, বর্তমানে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়া শিক্ষার্থীরা হঠাৎ করে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবই রিভিশন দিতে গিয়ে চরম মানসিক চাপে পড়েছে। জুনে তাদের ষষ্ঠ শ্রেণির অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা, আর তার ঠিক আগেই এই বৃত্তি পরীক্ষা শিশুদের পড়ালেখার স্বাভাবিক গতি নষ্ট করছে বলে তাঁদের দাবি।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবদুর রহিম প্রধান সার্বিক বিষয়ে জানান, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক যথাযথভাবে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন:
অভিভাবকরা আরও সচেতন হলে উপস্থিতি আরও বাড়ত। তবে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
বৈদ্যুতিক পাখার সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, পরীক্ষা শুরুর পর ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কক্ষের আলো বা বাথরুমে কোনো সমস্যা ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।
দীর্ঘ ১৬ বছর পর অন্তর্বর্তী সরকার প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা চালুর উদ্যোগ নিলেও আইনি জটিলতায় ২০২৫ সালের পরীক্ষা আটকে গিয়েছিল। পরবর্তীতে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন নীতিমালা সংশোধন করে সরকারি প্রাথমিকের পাশাপাশি কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদেরও এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেন। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী:
-
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী।
-
কিন্ডারগার্টেন বা বেসরকারি বিদ্যালয়ের ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী।








