বস্ত্র ও পাট, শিল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সেবাগুলো আরও সহজ ও দ্রুততর করতে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আলাদা একটি কমিটি গঠন করা হবে।
পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকবেন।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই-এর ভূমিকা নিয়ে মন্ত্রী বেশ কিছু গঠনমূলক ও কড়া দিকনির্দেশনা দেন:
মন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান, এফবিসিসিআই-কে কোনোভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে না। এটি হবে সব ব্যবসায়ীর একটি সম্মিলিত ও নিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্ম।
ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে সরকারকে গঠনমূলক চাপ দিয়ে নীতিগত সহায়তা আদায়ে এফবিসিসিআই-কে আরও সক্রিয় হতে হবে।
সংগঠনটিকে গতিশীল করতে ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকেই যোগ্য, দূরদর্শী ও উদ্যমী নেতৃত্ব আসা অপরিহার্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এবং বিভিন্ন চেম্বার অব কমার্সের সাবেক ও বর্তমান সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্যবসায়ী নেতারা এফবিসিসিআই-কে আরও কার্যকর করতে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। বিশেষ করে, নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে ব্যবসায়ী সমাজ থেকেই একজনকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার জোরালো প্রস্তাব উত্থাপন করেন তাঁরা।
বৈঠকে বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি এস এম ফজলুল হক, এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন, বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমসহ দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নেন।








