হামের প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল-কলেজের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখা।কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পাঠদান চালু রাখা।
রিট আবেদনে দেশে ইতিমধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে ৪৭ শিশুর মৃত্যু এবং শত শত শিশু অসুস্থ হওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়:
সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবায় ঘাটতি থাকা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। হামের টিকা কেনায় কোনো অনিয়ম বা অবহেলা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
মৃত্যুর ঘটনাগুলো তদন্তে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের আবেদনও করা হয়েছে।
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশুদের জন্য হামের টিকার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, টিকার অভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে শিশুরা মৃত্যুবরণ করলেও কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করা হয়।






