এটি তৈরির জন্য উচ্চ তাপমাত্রা, উচ্চ চাপের বিশেষ যন্ত্রপাতি এবং নির্দিষ্ট রাসায়নিক ক্যাটালিস্টের প্রয়োজন হয়।
জার্নাল অব ক্যাটালাইসিস-এর তথ্যমতে, এই প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত এনজাইম ও ক্যাটালিস্টগুলো কেবল শিল্পকারখানার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশেই কাজ করে। ঘরোয়া পরিবেশে এই তাপমাত্রা বা চাপ বজায় রাখা বৈজ্ঞানিকভাবে অসম্ভব।
জ্বালানি তেল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা কেন বিপজ্জনক, তার কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ নিচে দেওয়া হলো:
জার্নাল অব লস প্রিভেনশন ইন দ্য প্রসেসেস ইন্ডাস্ট্রিজ-এর গবেষণায় দেখা গেছে, জ্বালানি তেলের ‘ফ্ল্যাশ পয়েন্ট’ খুব নিচে হওয়ায় এর বাষ্প সামান্য আগুনের সংস্পর্শে এলেই বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।
এনভারমেন্টাল হেলথ পারসপেকটিভস-এর গবেষণা অনুযায়ী, অপরিশোধিত হাইড্রোকার্বন বাষ্প ফুসফুস এবং স্নায়ুতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করে।ল্যাবে তৈরি করা অশুদ্ধ জ্বালানি ব্যবহার করলে আধুনিক গাড়ির ইঞ্জিনের দহন ক্ষমতা স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
অনলাইনে বা ইউটিউবে অনেক সময় বিজ্ঞানসম্মত ভিত্তিহীন ভিডিও প্রচার করা হয়। ভিডিওতে প্রক্রিয়াগুলো সহজ মনে হলেও বাস্তবে হাইড্রোকার্বন পাতন করা একটি ‘আত্মঘাতী’ কাজ। ফেনীর সোনাগাজীর ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে এমন ঝুঁকি নেওয়া জীবনের জন্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে।






