Search
Close this search box.

প্রাইজবন্ডে বিনিয়োগ: মধ্যবিত্তের সঞ্চয়ে স্মার্ট মাধ্যম ও ১২৩তম ড্র-এর বিস্তারিত

অহনা

সারাজীবনের উপার্জিত অর্থ কোথায় বিনিয়োগ করবেন, তা নিয়ে অনেক সময় আমরা দ্বিধায় ভুগি। স্থায়ী সম্পদ বা ব্যবসার পাশাপাশি সঞ্চয়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত ‘বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড’। সমাজের সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার এই বন্ড চালু করেছে। আজ ৩০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র।

প্রাইজবন্ডের প্রতিটি ড্র-তে বিজয়ীদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকে। এবারের ড্র-তেও রয়েছে বড় অংকের অর্থ জয়ের সুযোগ:

  • প্রথম পুরস্কার: ৬ লাখ টাকা (১ জন)।

  • দ্বিতীয় পুরস্কার: ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা (১ জন)।

  • তৃতীয় পুরস্কার: ১ লাখ টাকা (প্রতি জন)।

  • চতুর্থ পুরস্কার: ৫০ হাজার টাকা (প্রতি জন)।

  • পঞ্চম পুরস্কার: ১০ হাজার টাকা (প্রতি জন)।

প্রাইজবন্ডের ড্র পদ্ধতি অন্যান্য লটারির চেয়ে কিছুটা ভিন্ন:

  • সিরিজ ভিত্তিক পুরস্কার: ঘোষিত প্রতিটি নম্বর সব সিরিজের জন্য প্রযোজ্য হয়। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট নম্বর বিজয়ী হলে, সব সিরিজের ওই নম্বরের বন্ডগুলোই পুরস্কার পাবে।

  • বিবেচ্য সময়সীমা: ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ থেকে অন্তত ৬০ দিন আগে কেনা প্রাইজবন্ডগুলোই কেবল ড্র-এর আওতাভুক্ত হয়। এক্ষেত্রে ড্র-এর দিনটি গণনায় আসবে না।

  • আয়কর বিধি: আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থের ওপর ২০ শতাংশ হারে উৎসে কর (Source Tax) কেটে রাখা হয়।

  • তারল্য: এটি যেকোনো সময় কেনা যায় এবং প্রয়োজনে ব্যাংক বা পোস্ট অফিস থেকে নগদ টাকায় ভাঙানো যায়।

  • নিরাপত্তা: সরকারি বন্ড হওয়ায় এখানে মূল অর্থ হারানোর কোনো ঝুঁকি নেই।

  • নির্দিষ্ট তারিখ: প্রতি বছর নির্ধারিত চারটি তারিখে— ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। তবে নির্ধারিত দিনে ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ