বৈঠকে ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ) দ্রুত কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি জাপানি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে খাদ্যপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি, কৃষি ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও জাপান দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। তিনি তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কৃষি, ইলেকট্রনিক্স ও অটোমোবাইল খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।
তিনি জাপানে বাংলাদেশি জনশক্তি রপ্তানির সম্ভাবনা, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষিখাতে দক্ষ জনবল পাঠানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন। জাপানি প্রতিনিধি দল এসব প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে।
বৈঠকে জাপানের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, ঢাকা মেট্রোরেল এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।
এছাড়া রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ১৭.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তার ঘোষণা দেয় জাপান। প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের ওপর জোর দেন।
বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও কৌশলগত ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়।







