আবাসন সমস্যা নিরসন, দ্বিতীয় ক্যাম্পাস বাস্তবায়ন, ক্যান্টিনে খাবারের মান উন্নয়ন এবং আধুনিক মেডিক্যাল সেবার মতো মৌলিক দাবিগুলোতে জকসু নেতাদের কার্যকর ভূমিকা অনুপস্থিত। নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মইন উদ্দিন ও লোক প্রশাসন বিভাগের হাবিবুল বাসার সুমনের মতে, হাতেগোনা কয়েকজন প্রতিনিধি বাদে বাকিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে বড় রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও ফেসবুককেন্দ্রিক প্রচারণায় ব্যস্ত।
জকসুর কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা করছেন পরাজিত প্যানেলের প্রার্থীরা এবং খোদ নির্বাচিত সদস্যদের একাংশ।
‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ প্যানেলের শামসুল আলম মারুফের অভিযোগ, জকসু সদস্যরা নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে লিপ্ত এবং অনেক সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিপরীতে প্রশাসনের পক্ষ নিচ্ছেন।
ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের নির্বাচিত সদস্য সাদমান আমিন সাম্য বলেন, প্রধান দাবিগুলো পূরণে শীর্ষ নেতৃত্বের কোনো স্পষ্ট রোডম্যাপ নেই।
ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ধীরগতির বিষয়টি আংশিক স্বীকার করেছেন জকসু নেতারা।
জকসু ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম জানান, নির্বাচনের পরপরই জাতীয় নির্বাচন, রমজান এবং ঈদের দীর্ঘ ছুটির কারণে কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অসহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
স্বতন্ত্র নির্বাচিত সদস্য মো. জাহিদ হাসান মনে করেন, সীমাবদ্ধতা থাকলেও সামনে হাতে থাকা সময়ে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত কিছু পাবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন জকসুর অস্তিত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “এই ছাত্র সংসদ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের সংগ্রামের ফল। সবাইকে মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সংকট মোকাবিলা করতে হবে। জকসুকে কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।”







