রাশেদ খান লিখেছেন, নাহিদ ইসলাম সংসদে দাঁড়িয়ে দুর্নীতির প্রমাণ চেয়েছেন। তবে তার দাবি, নাহিদ ইসলাম দায়িত্বে থাকাকালে সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যক্তি ও তার দপ্তরের সঙ্গে যুক্তরা বিভিন্ন অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতিতে জড়িত ছিলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নাহিদ ইসলামের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারীসহ (পিও) বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে অনিয়মের অভিযোগ এসেছে। পাশাপাশি তার সময়ে কিছু নিয়োগ ও প্রশাসনিক পরিবর্তন নিয়েও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে।
রাশেদ খানের মতে, নাহিদ ইসলাম নিজেই একসময় বলেছিলেন যে কিছু উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করে তিনি প্রতারিত হয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, নাহিদ ইসলাম দায়িত্বে থাকাকালীন এনসিপি গঠনের বিষয়টি নৈতিকভাবে সঠিক ছিল কি না। একইসঙ্গে তার সময় তথ্য মন্ত্রণালয়ে কোনো বড় সংস্কার হয়নি বলেও মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান বলেন, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় রাজনৈতিক দল গঠন এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অন্য কার্যক্রমে জড়িত থাকা নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।
সবশেষে তিনি বলেন, দুর্নীতিতে সরাসরি জড়িত না হলেও নাহিদ ইসলাম নৈতিকভাবে দায় এড়াতে পারেন না।








