মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাহবাগ থানার ভেতরে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী, সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের এবং নারী নেত্রী জুমার ওপর ছাত্রদলের হামলা অত্যন্ত কাপুরুষোচিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নামে একটি ভুয়া আইডি থেকে গুজব ছড়ানোর পর তিনি নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করতে যান।
অভিযোগ অনুযায়ী, পুলিশ জিডি গ্রহণ না করে তাঁকে আটকে রাখে। খবর পেয়ে ডাকসু নেতারা থানায় এলে পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল কর্মীরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে।
পুলিশের নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই আচরণ অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনের লাঠিয়াল বাহিনীর ভূমিকাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়।
বিবৃতিতে দেশের অন্যান্য স্থানে ঘটে যাওয়া সহিংসতার প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়:
শুক্রবার দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে ছাত্রশিবিরের শান্তিপূর্ণ মিছিলে ছাত্রদলের হামলার নিন্দা জানানো হয়।
২৩ এপ্রিল রাতে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রশিবিরের ওপর হামলায় অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
জামায়াত নেতার মতে, পরিকল্পিতভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার তাঁর বিবৃতিতে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরেন:
শাহবাগ থানার ভেতরে হামলার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।শিক্ষাঙ্গনে সব ছাত্র সংগঠনের সহাবস্থান এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ সমুন্নত রাখা জরুরি।
রাজনৈতিক উসকানি পরিহার করে সব পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।







